আমনের ভরা মৌসুম চলছে, চালের সরবরাহ পর্যাপ্ত, তবুও বাজারে চালের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। একই চিত্র মাংসের বাজারেও। ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
সরকার আমদানিতে শুল্ককর প্রত্যাহার করলেও মিলারদের কারসাজিতে চালের দাম বেড়েছে। মাসের ব্যবধানে সরু চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ টাকায় ঠেকেছে। মাঝারি ও মোটা চালের দাম ৫-৭ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিল পর্যায়ে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) চালের দাম সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
নওগাঁ জেলার মিল মালিকরা জানিয়েছেন, ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ধানের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বাজারে একাধিক সংস্থা তদারকি করলেও ক্রেতারা এর সুফল পাচ্ছেন না।
রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ১০ টাকা কম ছিল। সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০ টাকায়, আর দেশি মুরগি ৬৫০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বাজারে নিয়ন্ত্রণের অভাবে ক্রেতারা নাজেহাল হচ্ছেন। বাজার তদারকিতে আরও কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছে ভোক্তারা।
0 মন্তব্যসমূহ